General Moeen U Ahmed lobbying in India against Hasina and Khaleda

E-Bangladesh

E-Bangladesh

E-Bangladesh is a News/Headlines service and a group blog aimed at bringing the news and analysis from Bangladesh to its readers.

[Zulfikar Ali, USA]

I just came across a news article in DNINDIA which forced me to write something. Here is the excerpt  that I want to quote.

“The general is here to get the Indian political establishment to advise Sheikh Hasina of the Awami League and Khaleda Zia of the Bangladesh Nationalist Party not to take part in the national elections scheduled for later this year.”

It is a good thing when two neighboring countries military chiefs visits and discusses national security but it gets controversial when an army Chief visits a certain nation to lobby against two ex-prime minister of Bangladesh, Sheik Hasina and Khaleda Zia. As an unelected government official, it is unconstitutional for an Army chief to visit foreign nations and discuss internal politics. He doesn’t have people’s mandate to host such a dialog.

This is a just recent example of how Bangladesh government is running under the shadow of military dictator. We must have election in Bangladesh as soon as possible and give people back their basic human rights. And General Moeen must stop interfering in the national politics while serving as a Chief of Army Staff. Otherwise Bangladesh Army will get controversial because of one man’s wish to be a King illegally.

Update 2/27/2008

This article by Bhaskar Roy interestingly encourages General Moeen U’s activities and actually calls him the “leader of his country“. Article ends with,

“There is a lot to be done in the Indo-Bangladesh relations. It is for Dhaka to grab the opportunity. Gen. Moeen U. Ahmed should return from India as an encouraged leader of his country.”

I don’t recall General Moeen U Ahmed being elected in any election to be called “leader of his country”. He is a military personal and a government servant. I am ok calling him “Leader of Bangladesh Army” for his current position, but not “Leader of the country”. India, as being the largest democracy in the world, should not encourage military dictatorship in the region for its own shake. What’s your thought on this?

Zulfikar Ali  [http://www.bangladeshpolitics.org]  is one of the young analysts of the politics of Bangladesh living in USA. He uses to write as a Guest Blogger for E-Bangladesh. 

profilepic

E-Bangladesh is a News/Headlines service and a group blog aimed at bringing the news and analysis from Bangladesh to its readers.


10 Responses to “General Moeen U Ahmed lobbying in India against Hasina and Khaleda”

  1. Muhamad

    Thanks for the link ‘anti-war’. It’s interesting how the USA thinks that ‘improved’ relationship with India is simply being able to sell arms to India. Ah, the logic of it all!
    When the USA, Russia, China, UK, etc, sell torture tools to say, e.g., Bangladesh, those torture tools are going, without a doubt, to torture that country’s citizens.

    If Bhaskar Roy is such an expert, why is it that he is so deluded as to call Moeen Uddin Ahmed ‘the leader of his country’?
    My guess is that Moeen Uddin Ahmed must have given Bhaskar Roy a 5 taka note to be such a proneur.

  2. anti-war

    Looks like General Moeen also met with US Secetraty of defense, Robert Gates. If US and India starts patronizing the dictator, what will happen to Bangladesh. We will go back to the Ershad era. Election comission might held an eye-wash election to legitimize Gen Moeen as a president of Bangladesh later in the year. This is a tragic end of a democratic journey of Bangladesh.

    http://khabor.com/prabash/prabasher_news_02292008_000005.htm

    ভারতে কি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সাথেও জেনারেল মইনের বৈঠক হয়েছে?

    এনা, নিউইয়র্ক থেকে:
    ভারত সফরের সময় বাংলাদেশের সেনাপ্রধান কি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সাথেও বৈঠক করেছেন? কেননা সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট এম গেটসও নয়াদিল্লীতে ছিলেন। চীনের ক্রমবর্দ্ধমান দাপটকে আঞ্চলিকভিত্তিতেই ব্যালেন্স করার অভিপ্রায়ে ভারতকে সকল ক্ষেত্রে শক্তিশালী করতে চায় আমেরিকা। সে লক্ষ্যে ভারতের সাথে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো জোরদার করার জন্যেই রবাট গেটস অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া হয়ে ভারতে পৌঁছেছেন এ সপ্তাহেই। নয়াদিল্লীতে তিনি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সাথে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যাপ্ত টানা দুদিন বৈঠক করেছেন। বৈঠকে পাকিস্তানের চেয়ে চীনের ব্যাপারটি অধিক গুরুত্ব পেয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো উল্লেখ করেছে। নয়াদিল্লী থেকে নিউইয়র্ক টাইমসের সংবাদদাতাও একই তথ্য পরিবেশন করেছেন। সামরিকভাবে ভারতকে আরো সর্বাধুনিক সাজসরঞ্জামে সমৃদ্ধ করার ব্যাপারটিও প্রাধান্য পায় ঐ বৈঠকে। যুক্তরাষ্ট্রের তৈরী যুদ্ধ বিমান ক্রয়ের জন্যেও ভারতের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে এ বৈঠকে। যুদ্ধ জাহাজের জন্যে ভারতকে ব্যয় করতে হবে অìতত ১০ বিলিয়ন ডলার।

    এছাড়া আগামী কয়েক বছরে আরো ৪০ বিলিয়ন ডলারের আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির ব্যাপারও প্রাধান্য পেয়েছে রবার্ট গেটের সাথে ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে। ভারতীয় সামরিক বাহিনীকে আধুনিক সরঞ্জামাদির মাধ্যমে শক্তিশালী একটি বাহিনীতে পরিণত করার লক্ষ্য হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়া তথা এশিয়া মহাদেশে ভারতকে সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করা-এ অভিমত পোষণ করেছেন টাইমসের সংবাদদাতা। ২৮ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্ক টাইমসে ‘গেটস ইন ইন্ডিয়া টু এক্সপান্ড সিকিউরিটি টাইস’ শিরোনামে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। চীনকে মোকাবেলার জন্যে ভারতকেই বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড় করাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। কেননা এ সময়ে ভারত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু এশিয়া মহাদেশে। দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত দেশ এবং রাজ্যগুলোতে ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদের উথানের বিরুদ্ধে চলমান সন্ত্রাস দমনের যুদ্ধকে সত্যিকার অর্থে সফল করার জন্যেও ভারতের অকুন্ঠ সমর্থনের বিকল্প নেই। পর্যবেক্ষক মহলের ধারণা, তালেবান-আল ক্বায়েদা নির্মূলে পাকিস্তানের উপর নির্ভরশীলতা যেভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে-তেমনটি দ্বিতীয়বার করতে নারাজ মার্কিন প্রশাসন। মার্কিন গোয়েন্দা এবং আìতর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী তথা পাক প্রশাসনের আìতরিক সহায়তার অভাবে আফগানিস্তানে তালেবানের সাংগঠনিক শক্তি ক্রমান্বয়ে জোরদার হয়েছে এবং আল ক্বায়েদার ঘাঁটিও সম্প্রসারিত হচ্ছে।

    নয়াদিল্লীর বৈঠকের সময় বাংলাদেশের সেনাপ্রধান সেখানে উপস্খিত ছিলেন কিনা তা যেমন নিশ্চিত হওয়া যায়নি তবে ঐ বৈঠকে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসীদের বিস্তার, রাজনৈতিক অস্খিরতার সুযোগে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক বেগবান হওয়া ও সন্ত্রাসী তৎপরতা নিয়ে আলোচনার সময় বাংলাদেশের প্রসঙ্গ বাদ যায়নি বলে একাধিক সূত্র উল্লেíখ করেছে। সন্ত্রাসীচক্র এবং সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের কেয়ারটেকার সরকারের অবস্খান নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    কয়েকটি সূত্র উল্লেíখ করেছে, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর আìতরিক সহায়তার কারণেই পুলিশ বাহিনীর পক্ষে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা সম্ভব হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসীকে ইতিমধ্যেই ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছে। তবে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সরাসরি মদদে এখনও ধর্মীয় সন্ত্রাসীরা সাংগঠনিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। কেননা এই শ্রেণীর সন্ত্রাসীরা মসজিদকেও তাদের আþতানা হিসেবে পরিগণিত করেছে বলে আìতর্জাতিক বিশ্নেষকরা মনে করছেন। সামগ্রিক পরিস্খিতির আলোকে জেনারেল মইনের ভারত সফরের সময় মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর ভারত সফরের ঘটনা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্খিতির প্রশ্নে। পাকিস্তানে নির্বাচন হয়েছে এবং সেখানে বুশ প্রশাসনের অনুগত শক্তি হিসেবে পরিচিত পারভেজ মুশারফের দলের ভরাডুবি ঘটেছে। বাংলাদেশেও যাতে তেমন পরিস্খিতি সৃষ্টি না হয় সেটি আগে থেকেই নিশ্চিত হতে চায় ওয়াশিংটন প্রশাসন। এক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বেশী বিশ্বাসী বন্ধু হচ্ছে ভারত। তাই তারা ভারতের মাধ্যমেই বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকা, নেপাল, পাকিþতান, আফগানিস্তান, বার্মা, থাইল্যান্ডে কর্তৃত্বকে সংহত করতে আগ্রহী। এটা সর্বজনবিদিত যে, বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম প্রধান সহায়ক হচ্ছে আমেরিকা। আমেরিকার ইচ্ছা অনুযায়ী দুর্নীতির বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিতে পেরেছে ড: ফখরুদ্দিন প্রশাসন। আমেরিকার কারণেই ভারত প্রশাসন বাংলাদেশের ব্যাপারে আবারো উদার নীতি অবলম্বন করেছে। আমেরিকার ইঙ্গিতেই জেনারেল মইনকে ভারত প্রশাসন উষä অভ্যর্থনা জানাতে কার্পণ্য করেনি। তবে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমেরিকা সবসময় বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা দেখতে চায়। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গতিশীল হলেই বাংলাদেশ এগুতে পারবে এবং একইসাথে আল ক্বায়েদা বা তালেবানের দোসররাও নির্মূল হয়ে যাবে। কেননা গণতন্ত্র এবং ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ একত্রে চলতে পারে না। গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের চলার পথ যত জোরদার হবে তত বিলুপ্ত হয়ে যাবে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক।

    অপর একটি সূত্রে অবশ্য বলা হয়েছে যে, মে মাসে জেনারেল মইনকে ওয়াশিংটনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সে সময়েও (যদি জেনারেল মইন আসেন) বুশ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সাথে জেনারেল মইনের বৈঠক হবে সন্ত্রাসবাদ এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন পরিস্খিতি নিয়ে। সামগ্রিক পরিস্খিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের রাজনীতি, প্রশাসন সর্বক্ষেত্রে জেনারেল মইনের ভূমিকাকে বুশ প্রশাসনও গুরুত্ব দিচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন। তৃতীয় বিশ্বে বাংলাদেশের মত দরিদ্র দেশের রাজনৈতিক সংঘাত হানাহানি অবসানে বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের সাম্প্রতিক ভূমিকাকে অন্য দেশের মডেল হিসেবে গণ্য হতে পারে বলে শিকাগো ট্রিবিউনে সম্প্রতি প্রকাশিত উপসম্পাদকীয়তে উল্লেখ করার ব্যাপারটিও অনেক কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  3. NiRBashito

    While I was responding to a certain Corporal Shihab on another page in this blog site, I just realized how ironic it is that our Four Star General is now asking for “foreign intervention” in solving an internal political crises!

    For all these years since our independence we had to endure the propaganda from pro-Pakistani and Jamati hooligans that “Awami,” “secular,” “progressive,” “pro-Hindu” types go seek “foreign intervention” at the smallest provocation… it feels almost gratuitously funny and exonerating now!

    As far as I know, they purged the armed forces of all pro-AL and pro-Muktijuddho officers during the last BNP-Jamaat rule. So what’s left must be headless chickens running in every which direction…

  4. Iconus Clustus

    I have always held that this batch of generals are unlike the ones who came before them. How so? Well, for one things – MUA is well read. He knows his history. He has himself well connected with the Big brothers, both local and global, the so-called elites, and also the political right, including religionists. Slowly but surely, they are going to bridge the gap between them and the business community as well. বাস, কেল্লা ফতে!

    The fact that India, America, and other brothers in our fraternal planet do have a decisive say in our internal matters is a forgone conclusion. It doesn’t surprise me a bit that thsi is what MUA has been up to while in India. In fact, I would have been surprised if it was anything but this!

    Moeener ghoraguli… [মঈনের ঘোড়াগুলি] [music lovers will know how painful, though funny, these words are!]…

    Aharay…

    To add to the strength of MUA and his band of generals is the fact that the entire armed forces are pretty much cleaned of off the “disturbing elements.” There are no senior officers bold enough to stand for the cause of the country and of the people… actually they are sold on the idea that what is going on is good for the country! And about the junior ranks… I hear, the scene has changed dramatically in the past few years and there has been an alarming rise in the Jamaati recruits! [Just imagine that! স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীতে জামাতের শুধু অবস্থান না, রীতিমত আধিপত্য!!!]

    We really need to put our resources and strength together. We need to be able to approach this from a thousand different angles. And as always… Dhaka University seems to have already blown the horn with their valiant stance against army presence and nuisance in the campus.

    Yesterday… পথ নাট্য সপ্তাহ has begun. The demand to try the war crimes is gaining momentum. And – if you ask me, the demand to take a step farther into a secular direction and introduce a clause [which has already been in the original constitution and is also currently in place in the Emergency Powers Act of 1974 – which the CTG is making a good use of!] in the electoral rules should also gain momentum – and that demand is – Political parties with religous agenda (anti-secular and communcal] should be barred.

    With enough support it might still not be possible to make these demands a reality, but it will at least put CTG and EC in an unpopular corner.

  5. K.Ahmed

    Ershad also tried to maintain a lobby with India,but drastically failed. The military here whenever trained is taught that India is our enemy. When a general visits India it proves his evil motive. Before becoming president he wants to take India into confidence. It is not military’s business to improve ties with India, rather it is the business of the political leadership to promote our relationship. Hasina bargained and succeded without any condition. But the general’s bargain would be conditional undoubtedly. Even a layman will understand it.

  6. Engr. Khondkar Abdus Saleque

    I still do not believe that General Moin is so immatured to lobby against two elected Lady PMs and chief of Two Major Bangladeshi political parties in India. If he has done so time is not very far that he will be thrown into dustbin like many garbage generals that we have seen before. He must not forget Khaleda made him Army Chief . He also knows Hasina pulls much stronger political links with India than any one in bangladesh now. Time will tell every thing. History never excuses betrayers.

  7. kalam

    Dear Sir Genaral.M U Ahmed, So Many Papers Are Writing Khalida & Her Sons Are Going To Release It Will Be Big Mistake If Really They Release With Out Purnishment.How We Forget What They Did.Please Sir Bangladeshi Pepole Want See Them They are In jail Long Long Time.They Should Get It.Khalidas Chamsa All Those Who Was Involb, With The Coroptions & Lutpat. They Want Khlida In Power again , Then They can Start Their L U T P A T Again.If Khalida & Hasina Again in Power,Bangladesh Will 100 yrs back.again.Pls Sir do Some thing.Go A head All Bangladeshi Pepole with You.We Pray For You To alalh Bless you Long live.

  8. abul

    Are you really engr Khondakar ??? You Pass Engineering With Study Or Khalida/ Hasina gave You Duplicate Certificate?

Comments are closed.